নোবিপ্রবিতে স্নাতক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

Share

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
নোবিপ্রবিতে স্নাতক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়া হয়েছে। আলোচনা সভা, সমবেত জাতীয় সঙ্গীত, দেশাত্মবোধক গান, স্লাইড প্রেজেন্টেশন ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এবার নোবিপ্রবির ১৮টি বিভাগের নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়া হয়। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারী ২০১৭) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মো. ইদ্রিছ অডিটোরিয়ামে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান।

01

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের শতকরা ৪০ ভাগ তরুণ। আর এ তরুণদের মধ্যে ৩২ লাখই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। এ বিশাল জনশক্তিকে সম্পদে পরিণত করতে হবে। তা না হলে আগামীর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। তিনি শিক্ষার্থীদের চাকরিরর পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা হয়ে দেশ গড়ার কাজে অংশীদার হওয়ার পরামর্শ দেন। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের জঙ্গীবাদ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শও দেন।ইউজিসি চেয়ারম্যান আরো বলেন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের ক্যাম্ব্রিজ বলা হয়ে থাকে। তাই এ বিশ্ববিদ্যালয়কে তদানুযায়ী গড়ে তুলতে এ পরিবারের সকলকে সম্মিলীতভাবে কাজ করে যেতে হবে।

সভার সভাপতি নোবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান বক্তৃতার শুরুতেই নবাগত শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি নোবিপ্রবির নবাগত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে একজন ভালো শিক্ষার্থী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গ[েড় তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এসময় তিনি অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও ভৌত কার্যক্রম বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, এবার এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪টি বিভাগের জন্য ২২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। নতুন তিনটি বিভাগ খোলা হয়েছে। এসময় তিনি নোবিপ্রবির গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোতে শিক্ষক সংকটের কথা তুলে ধরেন। ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরেই ৮৭৫ একর জায়গায় ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সমুদ্র ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ইনস্টিটিউট’ গড়ে তোলা হবে। এর আওতায় রয়েছে ‘ট্যুরিস্ট জোন’, ‘ব্লু-ইকোনমি’ জোন, ইকোপার্ক, ম্যানগ্রোভ বন, এনভায়রনমেন্টাল ইকোলজি এবং মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র। আর এসবের মধ্য দিয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার একটি উন্নত ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন পূরণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ছাত্র নির্দেশনা পরিচালক আফসানা মৌসুমীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন- নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবুল হোসেন, নোবিপ্রবি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন

কবির, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. মমিনুল হক প্রমুখ। প্রসঙ্গত, উক্ত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ইউজিসি চেয়ারম্যানকে স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগ ইউজিসির মাননীয় চেয়ারম্যানকে একটি সিড়ম্যাপ উপহার দেয়।